এটি শরীরের শক্তি ও স্ট্যামিনা বাড়িয়ে ব্যায়াম ও কাজে সহনশীলতা বৃদ্ধি করে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে।
লিভার ডিটক্স, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও এটি উপকারী।
Categories: জনপ্রিয় ক্যাটাগরি, হারবাল সাপ্লিমেন্ট
এটি মূলত তাজা বিটরুট থেকে পানি ও কিছু উপাদান অপসারণ করে স্প্রে-ড্রাইং প্রযুক্তির মাধ্যমে গুঁড়ো আকারে তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিটরুটের রঙ, স্বাদ ও অধিকাংশ পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে। ফলে এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য।
বিটরুটে থাকা প্রাকৃতিক নাইট্রেট শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তনালী প্রসারিত করে, ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
নিয়মিত গ্রহণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
নাইট্রিক অক্সাইড রক্তপ্রবাহ ও অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ায়, ফলে ব্যায়াম বা পরিশ্রমের সময় শরীরের সহনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
বিটরুটে বেটালেইন, ফ্ল্যাভোনয়েড ও পলিফেনলস থাকে, যা শরীরের প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং গাট হেলথ ভালো রাখে।
রক্তপ্রবাহ বাড়ার ফলে স্মৃতি ও মনোযোগ বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করে।
লিভারের টক্সিন দূর করতে ও লিভার সুস্থ রাখতে এটি ভূমিকা রাখে।
উচ্চ ফাইবার থাকার কারণে এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দেয়, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া কম হয়।
প্রতিদিন ১-২ চা চামচ পানির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
স্মুদি, সূপ, সালাদ, রুটি বা কেকের মিশ্রণে ব্যবহার করা যায়।