প্রধান নির্বাহী’র বার্তা

মুফতী আশিকুর রহমান

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার প্রতি, যিনি সমস্ত মাখলুকাতের রিজিকের দায়িত্ব নিয়েছেন।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেনঃ হে ঈমানদারগণ! তোমরা পবিত্র বস্তু-সামগ্রী আহার হিসেবে গ্রহণ করো, যেগুলো আমি তোমাদের রুজি হিসাবে দান করেছি। সূরা বাকারা -১৭২
আল্লাহ তাআলা আরো এরশাদ করেন, তোমাদের জন্য যা কিছু পবিত্র তা হালাল করা হয়েছে এবং যা কিছু অপবিত্র তা হারাম করা হয়েছে। সূরা আ’রাফ -১৫৭।

মোদ্দাকথা, মহান আল্লাহর বাণীর মাধ্যমে আমরা জানতে ও বুঝতে পারি যে, তিনি আমাদেরকে পবিত্র খাবার খাওয়ার আদেশ দিয়েছেন এবং তা আমাদের জন্য হালাল করেছেন। ভেজালযুক্ত ও অপবিত্র খাদ্য খেতে নিষেধ করেছেন এবং তা আমাদের জন্যে হারাম করেছেন। এই আয়াতগুলোকে সামনে রেখে বনভূমি এগ্রো ফুড শতভাগ হালাল ও খাটি পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ব্রত নিয়ে কাজ করছে।

বর্তমান বাজারে নিত্য নতুন মোড়কে ভেজাল পণ্যে ভরপুর। আমরা বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ করে তা বিভিন্ন উপায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে বাজারে পাওয়া যায় এমন প্রায় ৯০ শতাংশ পণ্যে ভেজাল বিদ্যমান।

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম একদা বাজারে খাদ্য স্তুপ এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি খাদ্য স্তুপের ভেতরে হাত প্রবেশ করে দেখলেন, ভেতরের খাদ্যগুলো উপরের তুলনায় বেশি আদ্রতাপূর্ণ। তিনি খাদ্য বিক্রেতার নিকট জানতে চাইলেন, এটি কেমন কথা? বিক্রেতা বললেন, বৃষ্টিতে ভিজে গেছে, হে আল্লাহর রাসূল। তদুত্তরে মহানবী (সাঃ) বললেন, তাহলে তুমি ভেজা খাদ্যগুলো উপরে রাখো নি কেন, যাতে মানুষ দেখতে পেত? অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বললেন, যে ব্যক্তি প্রতারণা করবে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়। -সহী মুসলিম হাদিস-102।

কোরআন-হাদিসের এই বাণীগুলোর প্রতি লক্ষ্য রেখেই মানুষের নিকট শতভাগ হালাল খাদ্য পৌছে দিতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। শতভাগ বিশুদ্ধতায় নিঃস্বন্দেহে আস্থা রাখুন বনভূমি এগ্রো ফুড এর উপর। আল্লাহ সকলকে হালাল খাদ্যপণ্য গ্রহনের তৌফিক দান করুন। আমিন।